কাউন্টার টেরোরিজমের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদুল ইসলাম গুম কমিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন তিনি গুমের সাথে জড়িত। তাঁর দাবি অনুযায়ী এই গুম সন্ত্রাস দমনের জন্য জরুরি ছিল। তিনি ব্যক্তিগত বিচারে গুম করতেন।
গুমে জড়িত থাকার জন্য তাঁর মধ্যে বিন্দু মাত্র অপরাধবোধের ছায়াও দেখা যায়নি। বরং তিনি গুমের ব্যাপার জাস্টিফাই করার ট্রাই করেছেন।
এডিসি আহমেদের বিরুদ্ধে যখন প্রথম গুমের অভিযোগ ওঠা শুরু করে, তখন তিনি বেশ কিছুদিন কর্মস্থল থেকে পলাতক ছিলেন৷ কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তিনি আবার ডিউটিতে যোগ দেন। কারণ তিনি ভালোভাবেই জানেন, কথিত সন্ত্রাসবাদের নামে ইসলামপন্থিদের গুম করার কোনো সাজা নেই৷ বরং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে গুম, খুন অলিখিতভাবে বৈধ৷
সম্প্রতি গুম কমিশনের রিপোর্টেও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের গুমের প্রচ্ছন্ন বৈধতা দেওয়া হয়েছে৷ গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক মসজিদের ইমামদের তুলে নিয়ে গুম, নির্যাতন, ভয়ভীতি দেখিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার রিঅ্যাকশনের কারণে ছেড়ে দিতে হচ্ছে। তুলে নিয়ে মুজিবের তৈরি করা স্বৈরাচারী আইনে বন্দি রাখা হচ্ছে। সেনাবাহিনী ইসলামপন্থিদের ঘরে ঢুকে নির্যাতন করছে৷
গুমের ব্যাপারকে পুরোপুরি রাজনীতিকরণ, গোয়েন্দা সংস্থার পুনরায় গুম, মিথ্যা মামলা চালু করা, বি এন পির নেতাদের ইসলাম ও মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা, গুম করেও এডিসি আহমেদুলদের এই আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে, ভারত বাংলাদেশে তার নতুন পাপেটদের পেয়ে গেছে।
বাংলাদেশের মুসলিমদের এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে যে, শুধু রেজিম চেঞ্জের মাধ্যমে কখনই এই ভূমি সারভৌমত্ব অর্জন করতে পারবে না। বরং পুরো সিস্টেমটাকেই ভেঙে সাজাতে হবে। ভারতের আধিপত্যবাদকে উপড়ে ফেলতে হবে৷ সমস্যা শুধু রেজিমে না, সমস্যা সিস্টেমে।